তীব্র রোদে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে জনজীবন। রোদের এই প্রখরতা আমাদের শরীরকে যেমন অস্বস্তির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে, ঠিক তেমনই কাজে কর্মেও অনিহা ভাব এনে দিচ্ছে। এমন অবস্থায় শরীর ও মনকে তৃপ্তি দিতে খেতে পারেন মজাদার আদা লেবুর শরবত।
যা যা লাগবে: আদার রস ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, ঠাণ্ডা জল ১ গ্লাস
যেভাবে তৈরি করবেন: জলের সঙ্গে সবগুলো উপকরণ মিশিয়ে বানিয়ে ফেলুন মজাদার আদা-লেবুর শরবত। শরবতের স্বাদ বাড়াতে পুদিনা পাতা ব্লেন্ড করে দিতে পারেন।
ত্বকের যত্ন বলতে আমরা শুধু বুঝি সুন্দর দাগহীন মসৃণ একটি মুখ আর যারা আরও একটু সচেতন তারা মাঝে মাঝে হাত পা বা গলারও একটু চর্চা করেন। কিন্তু পিঠের দিকে কি কেউ নজর দেয়? অথচ আমাদের শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এটি। পিঠের ত্বক রোদে পুড়ে কালো ছাপ পড়ে গেছে, অনেক ব্রণ আর সেরে যাওয়া ব্রণের দাগগুলো রয়ে গিয়েছে, পুরো পিঠ খসখসে ত্বকের অবস্থা যদি এমন হয়, তবে কোনও অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় শাড়ির সঙ্গে একটু বড় গলার ব্লাউজ পরতে চাইলেও আমরা তা পারি না। এজন্য তৈরি হতে গিয়ে প্রথমেই মনটা খারাপ হয়ে যায়। তবে মন খারাপ করার কোনো কারণ নেই. নিয়মিত সামান্য যত্ন নিলেই আমরা পেতে পারি কাঙ্ক্ষিত কোমল দাগহীন উজ্জ্বল পিঠ।প্রতিদিন দুবার স্নান করুন, এসময় পিঠের ত্বক ভালো করে পরিষ্কার করুন. স্নানের আগে সপ্তাহে অন্তত ১ দিন করে…
ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে চন্দন বাটা ১ টেবিল চামচ, টমেটোর রস ১ চা চামচ, শসার রস ১ চা চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে পিঠে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট পিঠে একটু অলিভ বা মাস্টার্ড অয়েল ম্যাসাজ করুন
ত্বকের শুষ্কভাব দূর করতে কমলার শুকনো খোসা বেটে এর সঙ্গে তরল দুধ মিশিয়ে ত্বকে লাগান
পিঠের ত্বকে ব্রণ ও ডেড সেল দূর করতে স্ক্র্যাব হিসেবে ২ চামচ চালের গুঁড়া, ১ চা চামচ দই, ১ চা চামচ বেসন মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে পিঠে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট. ত্বক টান টান করতে ১টি ডিমের সাদা অংশ, ২ টেবিল চামচ দই, ২ চা-চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে ১ চা-চামচ মধু ও সামান্য বেকিং সোডা মিশিয়ে পিঠে মেখে রাখুন ২০ মিনিট
এছাড়াও শসা, আলু, অ্যালোভেরা বা টমেটার রস পিঠের ত্বকে ১০ মিনিট মেখে রাখতে পারেন।
পিঠের দাগ মেকআপ করে ঢাকতে চাইলে, স্কিনটোনর থেকে ২ শেড হালকা রঙের কনসিলার বেছে নিন। এরপর নর্মাল ফাউন্ডেশন লাগাবেন। সবশেষ পাউডার দিয়ে সেট করে নিন।
রোদে বের হওয়ার আগে ত্বকের খোলা অংশে সানস্ক্রিন লাগান এবং সঙ্গে ছাতা ব্যবহার করুন।
এরই মধ্যে চলে এসেছে গরম। শুরু হয়ে গিয়েছে রুক্ষতার দিন। ঘাম ঝরানো দিনে অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে রোগব্যাধি আর ভোগান্তি থাকে বেশি। তাই এই সময়ে দরকার বাড়তি সতর্কতা।
* সকালে নরম তরল জাতীয় বা সবজি জাতীয় খাবার খান
* রোদে বের হলে অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করুন।
* প্রচুর জল পান করতে হবে
* বাইরে বের হলে মুখে সানস্কিন দিন
* অতিরিক্ত মসলা জাতীয় খাবার পরিহার করুন
* বাইরের খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন
* পাতলা সুতি পোশাক পরিধান করুন
* রোদ থেকে এসেই স্নান করবেন না, একটু ঠাণ্ডা হয়ে তারপর, রোদ থেকে এসে হালকা ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ ও চুল ধুয়ে ফেলুন
* রাতে ও সকালে দুই বেলা স্নান করুন
* রাতে ঘুমানোর আগে ঠাণ্ডা জল দিয়ে হাত মুখ ধুয়ে শুতে যান, আরাম পাবেন
* ডায়েরিয়া হলে প্রচুর তরল খাবার এবং খাবার স্যালাইন খান
* ভাজা-পোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন। (না খাওয়াই ভালো)
* লেবুর শরবত খান বেশি বেশি
* বাইরে থেকে এসে সঙ্গে সঙ্গেই ফ্রিজের ঠাণ্ডা জল খাবেন না।
* ঘামে গায়ে থাকা কাপড় ভিজে গরমে সর্দি বা কাশি হতে পারে। শিশুরাই এ ধরনের অসুখে বেশি ভুগে থাকে। তাই গরমের দিনে ঘরে সবচেয়ে ঠাণ্ডা অথচ খোলামেলা জায়গায় শিশুদের রাখা উচিত। অবহেলা না করে ডাক্তার দেখানো উচিত।
30-এর পর থেকে মেয়েদের নানান রকম শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে. যেসব মেয়েরা ঘর-বাইরে দুটো দিকই সমান ভাবে সামলান তাদের দরকার শরীরের জন্য বিশেষ যত্ন. সময় মত খাওয়া এবং সঠিক পরিমাণে খাওয়া প্রয়োজন. মেনোপজ যেটি বেশিরভাগ মেয়েদের জীবনে খারাপ প্রভাব ফেলে. এরজন্য প্রয়োজন সঠিক ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন। সোয়া প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড প্রত্যেক মেয়েদের ডায়েট চার্টে থাকা প্রয়োজন. সাধারণত 48 বছরের পর থেকে মেনোপজের সমস্যা শুরু হয়, তখন জীবনটা একটা ভয়ংকর আকার ধারণ করে, তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে বেশি করে শারীরিক যত্নের প্রয়োজন। চল্লিশোর্ধ্ব মহিলাদের জন্য নিউট্রিশম টিপস:
1) ক্যালসিয়াম খাওয়া বৃদ্ধি করতে হবে - ক্যালসিয়াম খাওয়া বৃদ্ধি করা ভীষণ প্রয়োজন. যেটি মহিলা, পুরুষ উভয়েরই স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী. গর্ভাবস্থায়, মেনোপজের সময় ক্যালসিয়াম শরীরের যত্নের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করে. ক্যালসিয়াম হাড়ের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে এবং অস্টিওপরোসিস রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে.
2) ফ্যাটের প্রয়োজন- ওমেগা 3 ফ্যাটি অ্যাসিড - এটি শরীর তৈরি করতে পারে না, কিন্তু এটি হার্ট, ব্রেন, আইকিউ, স্নায়ুর জন্য ভীষণ উপকারী. দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে. ওমেগা 3 এবং ওমেগা 6 এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাটি অ্যাসিড যেটি শরীরে হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাস্থ ভালো রাখে. বিশেষ করে হার্টের জন্য খুবই উপকারী.
3) আয়রন - স্বাস্থ ভালো রাখতে উপযুক্ত আয়রনের প্রয়োজন. আমাদের প্রত্যেকেরই প্রতিমাসে শরীর থেকে বেশ কিছু পরিমাণ আয়রন ক্ষয় হয় এবং উপযুক্ত খাদ্য না খেয়ে সেই আয়রন পূরণ করতে না পারলে রক্তাপ্লতার সমস্যা দেখা দিতে পারে. বিশেষ করে 35 বছরের পর থেকে এই সমস্যা বেশি করে দেখা দেয়.
4) সোয়া প্রোটিন প্রয়োজন - সোয়া খাওয়া বৃদ্ধি করতে হবে. এটি মেনোপোজের সমস্যা সমাধান করতে অনেকটাই সাহায্য করে. এবং হার্ট ও হাড়ের জন্য উপকারী. সোয়া দুধ, সোয়া বাদাম জাতীয় খাবার বেশি করে খাওয়া প্রয়োজন.
তাঁর উষ্ণ আবেদনে বিশ্বময় নারী জগৎ কুপকাত । তাঁর চাউনি, শরীরি আবেদন, অঙ্গভঙ্গি প্রথম থেকেই স্বতন্ত্র করেছে বিশ্ববিখ্যাত এই ফুটবলারকে । কথা হচ্ছে ডেভিড বেকহ্যামকে নিয়ে । ডিজাইনার টমি হিলফিগারের মতে প্রাক্তন এই ফুটবলার বিশ্বের সেরা আনডারওয়ার মডেল । হিলফিগার বিশ্বাস করেন ৩৮ বছরের বেকহ্যামের উষ্ণ আবেদনই তাঁকে এই তকমা জুটিয়ে দিয়েছে । ক্রীড়াজগতের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবেও সমান জনপ্রিয় এই তারকা ফুটবলার ।
হিলফিগারের কথায়,’ আমি এই নিয়ে অনেক মডেলদের সঙ্গে কাজ করেছি । কিন্তু আমার চোখে আনডারওয়ার মডেলিং এ বেকহ্যামই সেরা । ওর একটা অন্য লুকস আছে । যেটা ওকে অন্যান্য মডেলদের থেকে আলাদা করে দেয় ।‘’ ২০০৭ সালে ফ্যাশান ডিজাইনার স্ত্রী ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে প্রথম মডেলিং এর মঞ্চে নামেন ব্যাকহাম । ২০১২ সালে নিজস্ব বডিওয়ার লাইন প্রমোট করার উদ্দেশ্যে পুনরায় খোলামেলা পোশাকে ফটোশ্যুট করেন প্রখ্যাত এই তারকা ফুটবলার ।
গতবারের মতই ঝাঁ চকচকে গ্ল্যামারের মোড়কে মোড়ান রইল ল্যাকমি ফ্যাশান উইক । এবারের ২০১৪ ল্যাকমি ফ্যাশান উইক ছিল গতবারের মত তারকা খচিত । প্রথম দিনে ডিজাইনার মনিশ মলহোত্রার লম্বা কালো কুর্ত্তিতে দাবাং গার্ল সোনাক্ষী সিনহা ছিলেন লাস্যময়ী । চারদিন ব্যাপী আয়োজিত এই ফ্যাশান উইকে ৯৮ জন ডিজাইনার তাদের ডিজাইন করা পোশাক মঞ্চে তুলে ধরেছিলেন ।
আজকাল প্রায় সকলের হাতে স্মার্টফোন দেখা যায়. স্মার্টফোন বা অন্যান্য গ্যাজেটের অতিরিক্ত ব্যবহারে গলা ও চিবুকে বয়সের আগেই বলিরেখা ধরা পড়বে। এই মত বিশেষজ্ঞদের। সাধারণত এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য দীর্ঘক্ষণ নিচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় বলেই এমন হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায় বলে জানিয়েছেন তারা।
লন্ডনের ননসার্জিক্যাল ফেসিলিফট সিস্টেম প্রস্তুতকারক ও সরবরাহকারী সংস্থা সিএসিআই ইন্টারন্যাশনালের মতে, প্রযুক্তির প্রতি আসক্ত মানুষদের মধ্যেই এই নতুন ধরনের বলিরেখা দেখা যায়। এই বলিরেখার নাম রাখা হয়েছে ‘টেকনেক’। সিএসিআই গলা ও ঘাড়ের এলাকাজুড়ে যে বলিরেখা লক্ষ করা যায়, তার সন্ধান দিতে গিয়ে মাইক্রোলিফট নামক এক চিকিৎসারও প্রস্তাব দিয়েছে।
সিএসিআই ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডিন নাথান্সন জানিয়েছেন, বিগত কয়েক বছরে প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে টেকনেকের প্রবণতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। যারা এ ধরনের বলিরেখার শিকার হয়েছেন, তারা মাইক্রোলিফট নামের এই বিশেষ চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্য নিতে পারেন।
অবাক হওয়ার কিছু নেই। পুরুষেরও স্তন ক্যানসার হয়। কিন্তু সমস্যা হল পুরুষরা মনে করেন যে, কেবল নারীদেরই এই ক্যানসার হয়। এ কারণে তারা এ বিষয়ে কিছুটা বেপরোয়া থাকেন। আর এই মনোভাবই ডেকে আনে মৃত্যু।
অনেকেই ভাবেন বংশে কারো ক্যানসার থাকলে, তবেই অন্যদের মধ্যে এটি হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। প্যারাগুয়ের ৫৩ বছর বয়সি এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যবসায়ী মিগুয়েল রেন ২০১২ সালে জানতে পারেন তার স্তন ক্যানসার হয়েছে। বংশে কারো এ অসুখটি না থাকায় এ ব্যাপারে একেবারে অসচেতন ছিলেন তিনি।
রেন তার রোগের লক্ষণ সম্পর্কে বলেছিলেন, বুক চুলকানো আমার একটি বদ অভ্যাসের মতো। তাই একদিন চুলকাতে গিয়ে দেখলাম পোকাড় কামড়ের মতো এটা দাগ, কিন্তু কিছুদিন পর জায়গাটি শক্ত হয়ে যায়।
প্রতি বছর জার্মানিতে অন্তত ৬০০ পুরুষ পরীক্ষা করান তাদের স্তন ক্যানসার হয়েছে কিনা। অথচ প্রতি বছর জার্মানিতে ৭৪,৫০০ নারী এই পরীক্ষাটি করান। জার্মান সোস্যাইটি অফ ইউরোলজি’র মুখপাত্র অধ্যাপক জাবিনে ক্লিস জানালেন, নারীদের তুলনায় পুরুষরা এই পরীক্ষাটি খুব কম করান।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ২০১৪ সালের বিশ্ব ক্যানসার রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে যে ক্যানসারের হার দেখা যাচ্ছে, তাতে ২০৩০ সালের মধ্যে ৭৫ বছর বয়সের আগেই প্রতি পাঁচ জন পুরুষের একজনের মধ্যে এ ধরনের ক্যানসারের প্রবণতা দেখা যাবে। আর প্রতি আটজনের মধ্যে একজন এই রোগে মারা যাবে।
বয়সের সাথে সাথে পুরুষদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তবে এটা ঠিক যে তরুণদের ক্ষেত্রেও এ ঝুঁকি রয়েছে। জার্মানিসহ পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশেই নারীদের স্তন ক্যানসার শনাক্তের জন্য মেমোগ্রাফির সেবা থাকলেও পুরুষদের জন্য নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই প্রতিবেদনের সহ-সম্পাদক বার্নার্ড স্টুয়ার্ট বলেছেন, পুরুষদের জন্য এই পরীক্ষার ব্যবস্থা করা উচিত সরকারের।
গবেষকরা এখনো বের করতে পারেননি ঠিক কি কারণে পুরুষরা স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হন। ক্লিস জানান, বংশে কোনো নারী আত্মীয়ের স্তন ক্যানসার থাকলে অনেক সময় পুরুষের ক্যানসার হতে পারে। এমনকি জীনগত রোগ ‘ক্লাইনেফেল্টার’ এর কারণেও অনেকের স্তন ক্যানসার হয়। পুরুষের শরীরে একটি অতিরিক্ত এক্স ক্রোমোজোমের কারণে এই রোগটি হয়। এর কারণে পুরুষের স্তন ক্যানসারের সম্ভাবনা ১৫ থেকে ৫০ ভাগ বেড়ে যায়।
স্তন ক্যানসার হলে যে চামড়া স্তনকে ঢেকে রাখে তার পরিবর্তন দেখা যায়। চামড়া লাল হয়ে যায়, কুঁচকে যায়, তাতে ভাঁজ বা খাঁজ তৈরি হয়, স্তনবৃন্তের রঙের পরিবর্তন হয়, লালচে হয়ে যায় বা ভিতরের দিকে ঢুকে যায় এবং স্তনবৃন্ত থেকে রস ক্ষরণ হয়।
রঙ খেলতে আমরা কম বেশি প্রত্যেকেই ভালোবাসি। বছরে একবারই আসে দোল উতসব. তাই এদিন চুটিয়ে রঙ খেলার মজাটাই আলাদা। কিন্তু শুধু রঙ খেললেই হবে না. রঙ খেলার পর থাকে রঙ তোলার পালা। রঙ তুলতে গিয়ে অনেককেই অনেক রকম সমস্যার মুখে পড়তে হয়। সবার স্কিন এক রকম হয় না। তাই রঙ মাখার পর অনেকের স্কিনে অনেক রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই রঙ খেলতে গিয়ে যাতে কাউকে স্কিনের সমস্যায় পড়তে না হয় তার জন্য অ্যামওয়ের পক্ষ থেকে থাকল কিছু টিপস।
1) হোলি মানেই রঙের উতসব, মেয়েরা বিভিন্ন রঙে নিজেদের রাঙিয়ে তুলতে ভালোবাসে. কিন্তু এই রঙ যাতে ত্বকের উপর কোনও ভাবে প্রভাব না ফেলে, সেদিকে নজর দিতে হবে. এরজন্য সবসময় জৈব রঙ ব্যবহার করাই শ্রেয়।
2) রঙ খেলার আগে শরীরে নারকোল তেল মেখে নেওয়া আবশ্যক. তাহলে রঙ তুলতে খুব একটা কষ্ট করতে হয় না. সহজেই রঙ উঠে যায়।
3) রঙ খেলার সময় ফুল স্লিপ পোশাক পড়ে নিলে, শরীরে খুব কম অংশেই রঙ লাগবে।
4) মাথায় কাস্টার ওয়েল অথবা ওলিভ ওয়েল মেখে নিলে রঙ খেলে শ্যাম্পু করে নিলে খুব তাড়াতাড়ি মাথা থেকে রঙ ধুয়ে যাবে।
5) মেয়েরা রঙ খেলতে যাওয়ার আগে নখ গাঢ় রঙের নেলপলিস লাগিয়ে নিতে পারে।
6) এক চা চামচ আলমন্ড পাওডার, এক চা চামচ মধু, দু ফোঁটা লেবুর রসের মিশ্রন ব্যবহার করা যেতে যেতে পারে. রঙ খেলার পর এটি ব্যবহার করলে ত্বক অনেক নরম হবে।
7) রঙ খেলার পর সব সময় ঠান্ডা জলে স্নান করা বাঞ্ছনীয়, গরম জল রঙ তোলার জন্য একেবারেই উপযুক্ত নয়।
8) লেবুর খোসা তৈলাক্ত ত্বকের রঙ তোলার জন্য উপকারী।
উৎসব অনুষ্ঠান মানেই নারীদের প্রথম পছন্দের পোশাক শাড়ি। ট্র্যাডিশনাল অনুষ্ঠানে আজও নারীরা শাড়িটাই বেছে নেন নিজেকে মোহনীয় করে সাজাতে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শাড়ির ডিজাইনে যেমন এসেছে বৈচিত্র্য, তেমনই এসেছে ব্লাউজের ডিজাইনেও। ২০১৪ সালের ফ্যাশনে ব্লাউজের ডিজাইনে চলবে একদমই ভিন্ন মাত্রার কিছু নকশা। একই সঙ্গে পুরোনো কিছু ডিজাইনও আবার ফিরে আসবে নতুন রূপে। আসুন, দেখা যাক সেরকমই কিছু ব্লাউজের ডিজাইন যা ২০১৪ সালে মাতাবে ফ্যাশনের দুনিয়া।
স্টোন ওয়ার্ক করা ব্লাউজ : পাথরের কাজ করা ব্লাউজ বহু আগে জনপ্রিয় হলেও ২০১৪ সালে আসবে তা নতুন রূপে। বোট কলার দিয়ে ব্লাউজ তৈরি করে পেছনের পুরোটা ঢেকে দিতে হবে নেট দিয়ে। স্টোনের কাজটা থাকবে সেই নেটে। স্টোন বসানো নেট এখন মার্কেটে কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। ব্লাউজের পেছন দিকটা তোই কাপড় দিয়ে তৈরি করলে দারুণ লাগবে।
গলায় ফ্রিল দেওয়া ব্লাউজ : যে কোনো ধরণের গলার ডিজাইনে পাতলা কাপড় দিয়ে ফ্রিল দেওয়া ব্লাউজ এবারের নতুন ফ্যাশন। কমবয়সী মেয়েদের দারুণ মানাবে এই ব্লাউজ। তবে এই ব্লাউজ হতে হবে স্লিভ লেস কিংবা ফুল স্লিভ। ছোট হাতার ব্লাউজে ফ্রিল ভালো লাগবে না।
ঘটি হাতা গ্ল্যাডিয়েটর ব্লাউজ : ছোট ঘটি হাতা দিয়ে পেছনে ক্রিসক্রস ফিতার ডিজাইন দিয়ে করা এই ব্লাউজগুলো তরুণীদেরই বেশি মানাবে।
পেছনে এম্ব্রয়ডারি করা ফুলের নকশা : ব্লাউজের পেছনে এম্ব্রয়ডারি করা একটা ফুল কিংবা একটা ডিজাইন এই বছর খুব চলবে। এম্ব্রয়ডারি করা ব্লাউজ এই বছরেও চলবে। তবে পুরো ব্লাউজের চাইতে এই একটা ফুলের নকশা থাকবে স্টাইলের শীর্ষে।
ভারী কাজ করা ফুল হাতা ব্লাউজ : গত দুবছর যাবত ভারী কাজ করা হাই নেক ব্লাউজের খুব চল ছিল। এই বার এই জায়গা দখল করবে বড় গলার ফুল হাতা ব্লাউজ, তবে অবশ্যই ভারী কাজ করা।
একপাশে এমব্রয়ডারি ও পেছনে বাঁধা : এমব্রয়ডারি ব্লাউজের ফ্যাশন এবার পুরো বছর জুড়েই থাকবে। একপাশে এমব্রয়ডারিটাও চলবে খুব। একই সঙ্গে আশির দশকের পেছনে বাঁধা ব্লাউজ গুলোও এবার ফ্যাশনে ফিরে আসতে চলেছে।
হোম | কলকাতা | রাজ্য | দেশ | বিদেশ | বিনোদন | খেলা | বাণিজ্য | বিজ্ঞান-প্রযুক্তি | লাইফস্টাইল
|
আজকের রাশিফল
|
মেষ (মার্চ ২১ – এপ্রিল ১৯)
কাউকে কিছু বলতে ইচ্ছে করছে আপনার? ভালোভাবে ভেবে নিন, আর মুখ ফুটে বলেই ফেলুন। মনের ওপর থেকে বড় একটি ভার কমে যাবে। অন্যদের প্রতি আপনার মনোযোগ কমই থাকবে এই সপ্তাহে। আপনার চিন্তাভাবনা সব ঘুরপাক খাবে নিজের মাঝেই। এমন আনমনা হয়ে থেকে খুব বেশি কাজের ভার না নেওয়াই ভালো। অন্যদের সাথে খুব বেশি সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন না। সপ্তাহের শেষের দিকে অবশ্য তার পরিবর্তন ঘটবে। সে সময়ে আপনার সামনে অন্যরকম এক পরিবর্তনের সুযোগ আসতে পারে।
বৃষ (এপ্রিল ২০- মে ২০)
কোনো বিষয়ে আপনার মতামত অন্যকে জানাতে দ্বিধা করবেন না। আপনার মতামত জানলে তারা রাগ হতে পারে, মন খারাপ করতে পারে কিন্তু সত্যটা তাদের জানা উচিৎ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপনার মতামত ভালোভাবেই নেবে। তবে সপ্তাহের শেষের দিকে একটু সচেতন হয়ে, বিবেচনার সাথে কথা বলুন।
মিথুন (মে ২১- জুন ২১)
সপ্তাহের শুরুতেই নতুন নতুন প্ল্যান তৈরি করে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার ব্যাপারে উন্মুখ থাকবেন আপনি। তবে আপনার ইচ্ছে থাকলেও কাজ যে দ্রুত অগ্রসর হবে, এমনটা আশা না করাই ভালো হবে। একটু ধীরগতিতে জীবনকে চলতে দিন। শীঘ্রই কাজের গতি ফিরে আসবে।
কর্কট (জুন ২২- জুলাই ২২)
মনপ্রাণ দিয়ে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়াটা এখন আপনার জন্য জরুরী। আর এর জন্য আপনার মাঝে যথেষ্টই উদ্যম চলে আসবে। রোমান্সের জন্যেও এই সপ্তাহটা আপনার জন্য ভালো। তবে সপ্তাহের শেষের দিকে একটু সতর্ক থাকুন। কোনো কিছুই বেশি করা ভালো নয়। আর বিশেষ করে বেশি খরচ করার আগে ভবিষ্যতের ব্যাপারে চিন্তা করে নেওয়া উচিৎ আপনার।
সিংহ (জুলাই ২৩- অগাস্ট ২২)
সিংহ এই সপ্তাহে ভিজে বেড়াল হয়ে থাকার সম্ভাবনা আছে। তবে তার মানে এই নয় যে আপনি দুর্বল হয়ে যাবেন এবং সবাই আপনাকে একহাত দেখে নেবে! এর মানে হলো, মানসিক দিক দিয়ে আপনি অনেক নমনীয় এবং স্পর্শকাতর হয়ে উঠতে পারেন। অন্যদের প্রতি উষ্ণতা এবং ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারলে তারাও ভালোভাবেই আপনাকে প্রতিদান দেবেন। নতুন কোনো আইডিয়া মাথায় থাকলে তা প্রয়োগ করে ফেলুন, তা কর্মক্ষেত্রেই হোক আর প্রেমের ক্ষেত্রেই হোক। অর্থ নিয়ে চিন্তা এবং দুশ্চিন্তা দুই-ই থাকতে পারে আপনার মনে।
কন্যা (অগাস্ট ২৩- সেপ্টেম্বর ২২)
কর্মক্ষেত্রে বা পড়াশোনার ক্ষেত্রে আপনার ফোকাস ভালো থাকবে। কিন্তু বেশি খুঁটিনাটির দিকে নজর দিতে গিয়ে সার্বিক পরিস্থতির খেই হারিয়ে ফেলবেন না যেন। দরকার মনে হলে আন্তরিক এবং অভিজ্ঞ কারও সাহায্য নিতে পারেন। কোনো প্ল্যান করতে থাকলে মনে রাখবেন, ভবিষ্যৎ নিয়ে যত নিশ্ছিদ্র প্ল্যানই আমরা করি না কেন, তার মাঝে ফাটল দেখা দিতেই পারে এবং দরকারের সময়ে এই প্ল্যান পরিবর্তন করা লাগতে পারে। এই পরিবর্তনের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে কি আপনি প্রস্তুত?
তুলা (সেপ্টেম্বর ২৩- অক্টোবর ২২)
নতুন নতুন বিষয় নিয়ে কাজ শুরু করার দরকার হলে সেগুলো সোমবারে শুরু করা ভালো, কারণ তখন আপনার কর্মোদ্যম থাকবে তুঙ্গে। অন্য কাউকে সাহায্য করার সিকে আপনার মনোযোগ থাকতে পারে, কিন্তু এ কারণে নিজের কাজের কথা ভুলে যাবেন না যেন!
বৃশ্চিক (অক্টোবর ২৩- নভেম্বর ২১)
অনেকদিন ধরে একটা কাজ করতে চাইছেন। অথবা অনেকদিন ধরে মনের মাঝে একটা ব্যাপার খচখচ করছে, তা কাউকে বলতে চাইছেন। এই ধ্রুনের কাজ এ সপ্তাহের শুরুতে না করাই ভালো। ধীরে অগ্রসর হতে থাকুন। ক্যারিয়ারের একটা গুরুত্বপূর্ণ সময় চলছে এখন। এ সময়ে অন্যরকম কিছু করার চাইতে নিজের কাজের মান উন্নত করার দিকে খেয়াল করুন। সপ্তাহের শেষে কাজের ক্লান্তি দূর করার জন্য অপেক্ষা করছে শান্তিপূর্ণ সময় আর ছোট্ট একটা সারপ্রাইজ!
ধনু (নভেম্বর ২২- ডিসেম্বর ২১)
সপ্তাহের শুরুতে আপনার চারদিকে যা ঘটবে তা আপনার চোখে অস্বাভাবিক লাগতেই পারে। কারণ উত্তরের চাইতে প্রশ্ন বেশি। সমাধানের চাইতে ধাঁধাঁ বেশি। অনেক সময় এসব রহস্য এবং চ্যালেঞ্জের সমাধান করতে আপনার ভালো লাগতে পারে, কখনো আবার ভয়ও লাগতে পারে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কারণ সপ্তাহের শেষের দিকে ভাগ্য খুলে যাবে আপনার।
মকর (ডিসেম্বর ২২- জানুয়ারি ১৯)
নতুন কোনো আইডিয়া অথবা নতুন কোনো মানুষ আপনার চিন্তার সবটুকু জায়গা দখল করে গ্যাঁট হয়ে বসে আছে? হয়তো তা নিয়ে আরও গভীর চিন্তা করার সময় হয়েছে আপনার। আপনি কী কোনো কিছু- বা কোনো মানুষের ওপর বেশি অধিকার ফলাচ্ছেন? যা আপনার তা অবশ্যই আপনার। কিন্তু একে বেশি আঁকড়ে ধরে থাকবেন না।
কুম্ভ ( জানুয়ারি ২০- ফেব্রুয়ারি ১৮)
নিজেকে একটু অন্যরকম করে উপস্থাপন করতে পারেন সপ্তাহের শুরুতে। আপনার আত্মবিশ্বাস কেউ ভাংতে পারবে না। আপনি যে অন্যদের চাইতে আলাদা তা প্রমানের এই হলো মক্ষম সময়। নিজেকে সুথ রাখার দিকে একটু মনোযোগ দিন। সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা আছে।
মীন ( ফেব্রুয়ারি ১৯- মার্চ ২০)
সপ্তাহের শুরুতে মনে পুরো পৃথিবী উল্টো পথে চলছে। আপনার আশেপাশের মানুষ সব উল্টো কাজ করতে থাকবে। যা করবে, বলবে তার উল্টোটা। সত্যের বদলে মিথ্যে বলবে। এতে আপনার মাথা খারাপ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হতে পারে। কিন্তু ধৈর্য ধরুন। কোনো একজন মানুষের স্বরূপ উন্মোচনের পাশাপাশি নিজের স্বকীয়তাকেও খুঁজে পাবেন আপনি। কিভাবে কথা বলছেন তার ব্যাপারে খেয়াল রাখুন।কারন আপনার কথার সুর থেকেও অনেকে অসন্তুষ্ট হতে পারে।
প্রতি বৃহস্পতিবার পড়ুন ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার দুটি ওয়েব ম্যাগাজিন
|
যে কোনও ধরনের ডিজাইন ও প্রিন্টিং-এর জন্য ফোন করুন 9143382591 | 9231914537 |